নিজস্ব প্রতিবেদক: 6 May 2026 , 5:22:03 101 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
জানা গেছে, গত সোমবার (৪ মে) শাহবাগ থানায় মারধরের একটি ঘটনায় হল সংসদের সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মো. জুলহাস আহত হন। ওই ঘটনার প্রতিবাদে এবং হল ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক রবিন হোসেনকে অভিযুক্ত করে তাঁর ছবি সংবলিত একটি ব্যানার হলের মূল ফটকে সাঁটায় হল সংসদ।
মঙ্গলবার রাতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ওই ব্যানারটি সরিয়ে ফেলতে গেলে প্রথম দফা উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। হল সংসদের নেতাকর্মীরা এতে বাধা দিলে দুই পক্ষের মধ্যে তীব্র কথা কাটাকাটি ও ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়।
এক পর্যায়ে ছাত্রদল ব্যানারটি ছিঁড়ে ফেললে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। এরপর হল সংসদ পুনরায় একই ধরনের ব্যানার টানায়। এভাবে তৃতীয়বারের মতো ব্যানার টানানোকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে চলে যায়। এতে হল সংসদের সালমান নামের এক কর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি করা হয়েছে।
হল সংসদের ভিপি সাদিক শিকদার বলেন, “আমাদের এক নেতার ওপর হামলার বিচার চেয়ে ব্যানার টানানো হয়েছিল। কিন্তু ছাত্রদল সেটি ছিঁড়ে ফেলে এবং আমাদের কর্মীদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের ছোট ভাই সালমান আহত হয়েছে। আমরা সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বিষয়টি বিস্তারিত জানাব।”
অন্যদিকে, অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা সাজ্জাদ হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “হল সংসদের লোকজন আমাকে বারবার ভিত্তিহীনভাবে সন্ত্রাসী আখ্যা দিয়ে ব্যানার টানানোর চেষ্টা করেছে। আমি ওই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নই। উদ্দেশ্যমূলকভাবে আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা থেকেই এই উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।”
ঘটনাস্থলে প্রায় এক ঘণ্টা ধরে উত্তেজনা চললেও হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক সিরাজুল ইসলামকে হলে পাওয়া যায়নি। এমনকি তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি কোনো সাড়া দেননি। গভীর রাত পর্যন্ত হলের সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এ নিয়ে আতঙ্ক বিরাজ করছিল।













