অনলাইন সংকরণ: 18 April 2026 , 2:20:32 119 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
যাত্রার খুঁটিনাটি বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সময় শুক্রবার রাত ১১টা ৫০ মিনিটে জাহাজটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই জলসীমায় প্রবেশ করে। প্রবেশ সময়: শুক্রবার রাত ১১:৫০ মিনিট (বাংলাদেশ সময়)। বর্তমান গতিবেগ ঘণ্টায় প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল।ক্রু ও নাবিক জাহাজটিতে ৩১ জন বাংলাদেশি নাবিক রয়েছেন। বহনকৃত পণ্য সৌদি আরবের রাস আল খাইর বন্দর থেকে নেওয়া প্রায় ৩৭ হাজার টন সার। গন্তব্য দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন বন্দর।
অপেক্ষার অবসান ও নাবিকদের স্বস্তি গত ২ ফেব্রুয়ারি থেকে পারস্য উপসাগরে অবস্থান করছিল ‘এমভি বাংলার জয়যাত্রা’। মার্চ মাসে দেশে ফেরার কথা থাকলেও আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা ও প্রণালি বন্ধ থাকায় জাহাজটি সেখানে আটকা পড়ে। বিএসসির এমডি কমডোর মাহমুদুল মালেক গণমাধ্যমকে জানান, ইরানের পক্ষ থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের পর শুক্রবার রাতেই তৃতীয় দফায় নোঙর তুলে যাত্রা শুরু করে জাহাজটি।
জাহাজটির ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম খান আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, বর্তমানে ইরানি বাহিনীর পক্ষ থেকে কোনো বাধা নেই। জাহাজ চলাচল পর্যবেক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান ‘মেরিন ট্রাফিক’-এর তথ্য অনুযায়ী, শতাধিক বাণিজ্যিক জাহাজ বর্তমানে এই রুট দিয়ে চলাচল শুরু করেছে, যার অগ্রভাগেই রয়েছে বাংলাদেশের এই পতাকাবাহী জাহাজটি। “দীর্ঘদিন আমরা এক অনিশ্চয়তার মধ্যে ছিলাম। এখন ইরানি বাহিনীর কোনো বাধা না থাকায় আমরা নির্ধারিত পথেই এগোচ্ছি।”— ক্যাপ্টেন শফিকুল ইসলাম খান
পেছনের প্রেক্ষাপট যুদ্ধবিরতি ও আঞ্চলিক উত্তেজনার কারণে দুই দফায় চেষ্টা করেও আগে অনুমতি মেলেনি। ফলে দীর্ঘ সময় সমুদ্রের মাঝে নোঙর করে অলস ও উদ্বেগের সময় পার করতে হয়েছে ৩১ জন নাবিককে। জাহাজটির প্রধান প্রকৌশলী রাশেদুল হাসান জানান, হরমুজ প্রণালি সফলভাবে অতিক্রম করার পর জাহাজটির পরবর্তী গন্তব্য হবে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউন।
দীর্ঘদিনের অনিশ্চয়তা কাটিয়ে জাহাজটি মুক্ত হওয়ায় স্বস্তি ফিরেছে নাবিকদের পরিবার ও সংশ্লিষ্ট মহলে।







