সর্বশেষ

ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ ও সরবরাহ সংকট: ফিলিপাইনে জরুরি অবস্থা জারি

  অনলাইন ডেস্ক: 25 March 2026 , 4:53:25 79 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার প্রভাবে জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার আশঙ্কায় ফিলিপাইনে জাতীয় ‘জ্বালানি জরুরি অবস্থা’ ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র। মঙ্গলবার এক বিশেষ নির্বাহী আদেশের মাধ্যমে তিনি এই ঘোষণা দেন।

প্রেসিডেন্টের দেওয়া ওই আদেশে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে দেশের অভ্যন্তরীণ জ্বালানি নিরাপত্তা ও সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটায় নাগরিকদের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

ফিলিপাইন সরকার মনে করছে, ইরান ও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার সরাসরি সংঘাত বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে দীর্ঘমেয়াদী নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। জরুরি অবস্থা ঘোষণার পেছনে প্রধান কারণগুলো হলো:

আমদানির ওপর নির্ভরশীলতা ফিলিপাইন তার মোট জ্বালানি চাহিদার প্রায় পুরোটাই আমদানির মাধ্যমে মেটায়। ফলে বৈশ্বিক সংকটে দেশটি সবচেয়ে বেশি অরক্ষিত। হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল পরিবহন পথ ‘হরমুজ প্রণালি’ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ ব্যাপক বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মূল্যবৃদ্ধি সরবরাহ সংকটের কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম হু হু করে বাড়ছে, যা ফিলিপাইনের অর্থনীতির জন্য বড় হুমকি।

প্রেসিডেন্ট ফার্দিনান্দ মার্কোস জুনিয়র জানিয়েছেন, যেকোনো মূল্যে দেশের জ্বালানি স্থিতিশীলতা ধরে রাখা এখন সরকারের প্রধান অগ্রাধিকার। এই জরুরি অবস্থার অধীনে সরকার জ্বালানি মজুত নিয়ন্ত্রণ, বিতরণ ব্যবস্থা তদারকি এবং সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে।

বিশ্লেষকদের মতে, ফিলিপাইনের এই পদক্ষেপ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর ওপরও প্রভাব ফেলতে পারে, যারা জ্বালানির জন্য মধ্যপ্রাচ্যের ওপর নির্ভরশীল।

আরও খবর

Sponsered content