আন্তর্জাতিক ডেস্ক: 16 April 2026 , 12:55:22 125 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চলে একটি স্কুলে এক কিশোর শিক্ষার্থীর ভয়াবহ বন্দুক হামলায় অন্তত ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮ জনই শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষক। এই ঘটনায় আরও ১৩ জন আহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
স্থানীয় কর্তৃপক্ষ ও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ইউরোনিউজের তথ্যমতে, হামলাকারী ওই স্কুলেরই অষ্টম শ্রেণির ১৪ বছর বয়সী এক ছাত্র। ঘটনার দিন সে তার বাবার লাইসেন্সকৃত বন্দুক ও বেশ কিছু অস্ত্র একটি ব্যাগে লুকিয়ে স্কুলে নিয়ে আসে। এরপর দুটি শ্রেণিকক্ষে ঢুকে কোনো কিছু বুঝে ওঠার আগেই সহপাঠী ও শিক্ষকের ওপর এলোপাতাড়ি গুলি চালাতে শুরু করে।
হামলা শেষে ওই কিশোর ঘটনাস্থলেই নিজের আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে আত্মহত্যা করে।
আঞ্চলিক গভর্নর মুকেরেম উনলুয়ের ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, “এটি একটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক ঘটনা। হামলাকারী পরিকল্পিতভাবে একাধিক অস্ত্র নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করেছিল।”
দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মুস্তাফা সিফচি এক বিবৃতিতে জানান, প্রাথমিক তদন্ত অনুযায়ী এটি কোনো সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর কাজ নয়। বরং এটি কিশোরের ব্যক্তিগত আক্রোশ বা মানসিক অস্থিরতা থেকে সৃষ্ট একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা।
ঘটনার পর পর স্কুলটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। কিশোরের বাবা কীভাবে অস্ত্রটি সংরক্ষণ করেছিলেন এবং তা ওই কিশোরের হাতে কীভাবে পৌঁছাল, সে বিষয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।










