সর্বশেষ

জনগণের রক্ত চুষছে সিন্ডিকেট: চট্টগ্রামে ২৫ হাজার লিটার ডিজেল উদ্ধার হলেও অধরা মূল হোতারা

  ডেস্ক রিপোর্ট: 31 March 2026 , 11:38:14 119 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ

চট্টগ্রামের ফৌজদারহাটে ২৫ হাজার লিটার অবৈধ ডিজেলের এক বিশাল মজুদ উদ্ধার করেছে প্রশাসন। যখন জ্বালানি সংকটে সাধারণ মানুষের নাভিশ্বাস উঠছে, তখন প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের এমন মজুদদারি জনমনে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। তবে বিস্ময়কর বিষয় হলো, এত বড় চুরির ঘটনা হাতেনাতে ধরা পড়লেও এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

সারা দেশে যখন জ্বালানি তেলের জন্য হাহাকার, তখন ফৌজদারহাটের একটি গোপন আস্তানায় পাওয়া গেল ২৫ হাজার লিটার ডিজেল। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করে চড়া দামে বিক্রির উদ্দেশ্যেই এই মজুদ গড়ে তোলা হয়েছিল। মধ্যপ্রাচ্য সংকটের অজুহাতে যখন সাধারণ মানুষের পকেট কাটা হচ্ছে, তখন প্রশাসনের নাকের ডগায় এমন অবৈধ ‘তেলের পাহাড়’ গড়ে ওঠা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

এই অভিযান সফল হলেও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে তিনটি মৌলিক প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, . রাজনৈতিক প্রশ্রয় দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা যখন হুমকির মুখে, তখন এই বিশাল মজুদ গড়ে তোলার সাহস এরা কোথায় পায়? স্থানীয় ও রাজনৈতিক মহলের মদদ ছাড়া কি ২৫ হাজার লিটার তেল এভাবে লুকিয়ে রাখা সম্ভব?

ব্যর্থতার দায় কার -সাধারণ মানুষ যখন এক লিটার তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে কষ্ট পাচ্ছে, তখন প্রভাবশালীরা গুদামজাত করে উৎসব করছে। এই প্রশাসনিক ব্যর্থতার দায়ভার আসলে কার?

 গ্রেপ্তার নেই কেন- অভিযান হলো, তেল জব্দ হলো—কিন্তু মূল হোতারা কেন এখনো ধরাছোঁয়ার বাইরে? কোনো প্রভাবশালীকে কি আড়াল করার চেষ্টা চলছে?

জনগণের ক্ষোভ ও দাবি-বর্তমান বিএনপি প্রশাসন জনগণের অধিকার রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হিমশিম খাচ্ছে। সাধারণ মানুষের দাবি, যারা জ্বালানি নিয়ে ‘গলাকাটার’ রাজনীতি করছে, তাদের বিরুদ্ধে শুধু বিশেষ ক্ষমতা আইন নয়, বরং দৃষ্টান্তমূলক কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

জনগণের ধৈর্যকে দুর্বলতা না ভেবে অবিলম্বে এই সিন্ডিকেটের মূল হোতাদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে। অন্যথায়, এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা এবং ‘তাবেদারি’ মানসিকতার কারণে দেশের জ্বালানি খাত আরও গভীর সংকটে নিমজ্জিত হবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আরও খবর

Sponsered content