ইয়াং চুং মংঃ 25 March 2026 , 3:08:29 83 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
ওয়াশিংটন/তেহরান: গত ২৮শে ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান-যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথ সামরিক অভিযানের ২৪ দিন অতিবাহিত হয়েছে। এই রক্তক্ষয়ী সংঘাতের মাঝে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এনেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সোমবার ফ্লোরিডার পাম বিচে এক দীর্ঘ আলাপচারিতায় তিনি জানান, ইরান অবশেষে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার শর্তে আলোচনার টেবিলে বসতে সম্মত হয়েছে।
পেন্টাগন এবং মার্কিন সামরিক কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য মতে, ইরানের পাল্টা হামলায় এ পর্যন্ত অন্তত ২৯০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহে ইরান কর্তৃক ইসরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে চালানো ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার ফলে এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এছাড়া ইরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালীর নৌ চলাচল বন্ধ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অস্থিরতা তৈরি করেছে।
হামলার প্রথম দিনেই তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর ইরানি রাজনীতিতে বড় পরিবর্তন এসেছে। তার উত্তরসূরি হিসেবে ছেলে মোজতবা খামেনিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। নতুন এই নেতৃত্বের অধীনেই ইরান বর্তমানে ছায়াযুদ্ধ এবং সরাসরি হামলা পরিচালনা করছে।
ইসরায়েল কেবল ইরানেই নয়, লেবাননে ইরান-সমর্থিত গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর বিরুদ্ধেও তাদের অভিযান তীব্রতর করেছে। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি স্থল বাহিনীর অভিযান ক্রমশ বিস্তৃত হচ্ছে, যার ফলে পুরো মধ্যপ্রাচ্য এখন এক অনিশ্চিত যুদ্ধের মুখে দাঁড়িয়ে।
যুদ্ধের ভয়াবহতার মাঝেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এক ইতিবাচক সংকেত দিয়েছেন। তিনি দাবি করেন, তেহরান এখন পারমাণবিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা ত্যাগ করতে রাজি। বিশ্লেষকদের মতে, ইরানের বর্তমান নেতৃত্ব সম্ভবত চরম ধ্বংসযজ্ঞ এড়াতে এবং অর্থনৈতিক চাপ কমাতে এই সমঝোতার দিকে ঝুঁকছে।














