সর্বশেষ

মুরাদনগর থানার ওসিসহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা, পাল্টা মামলা

  নিজস্ব প্রতিবেদক: 27 March 2025 , 9:55:05 181 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ

কুমিল্লার মুরাদনগরে ঘুষ চাওয়ার অভিযোগে থানার ওসি এবং চাঁদা না পেয়ে মারধরের অভিযোগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি সহ ২৫ জনের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ মার্চ) দুপুরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ১১নং আমলী আদালতে মো. মেহেদী হাসান নামের এক ইলেকট্রিশিয়ান বাদী হয়ে মামলাটি দায়ে করেন। বিচারক মো. মোমিনুল হক মামলাটি আমলে নিয়ে আগামী ১৯ মে এর মধ্যে পিবিআই কুমিল্লাকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন।
মামলার বাদি মেহেদী হাসান (২৮) মুরাদনগর উপজেলার বাখরনগর গ্রামের রৌশন আলীর ছেলে

মামলায় আসামীরা হলেন, মুরাদনগর থানার ওসি মো: জাহিদুর রহমান, মুরাদনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সভাপতি উবায়দুল্লাহ হক সিদ্দিকী, আল মামুন, সাজিদ, আরাফাত, আফতাব হোসেন মিজান, ফয়সাল, এনামুল হক আসিফ, মাহি, ইকরাম, জিসান, সিয়াম, সাইম, নাঈম, মহিউদ্দিন, সাইফুল ইসলাম, তৌহিদ রাসেল, রাসেল, হাবিব, ইমন, ইব্রাহিম, মোস্তাফিজ, আবুল ফয়সাল, মোঃ মনির ও ইমরান।

আদালত সূত্র জানায়, উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ নগরপাড় সিএনজি স্টেশনে ২৪ মার্চ ইলেকট্রিশিয়ান মেহেদী হাসানের ভাই সিএনজি চালক আবুল কালাম এর কাছে ২-২৫ নম্বার আসামিগণ ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদার টাকা না দেয়ায় আসামিরা আবুল কালামকে পুলিশ দিয়ে ধরে নিয়ে যায়। খবর পেয়ে তার ভাইকে ছাড়িয়ে আনতে থানায় গেলে ওসি জাহিদুর রহমান তার কাছে ১ লাখ টাকা ঘুষ দাবী করেন। মেহেদী হাসান ওসিকে ঘুষ দিতে রাজি না হওয়ায় ২-২৫ নং আসামিগণ ওসির সহযোগিতায় বাদী মেহেদী হাসান ও তার ভাইকে   মারধর করেন।

প্রসঙ্গত, গত সোমবার (২৪ মার্চ) ইফতারের পূর্বে বাসস্ট্যান্ডে পরিবহনে চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে মুরাদনগর উপজেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক উবায়দুল হক সিদ্দিকী। এ ঘটনায় তাঁর সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়ান শ্রমিক দল নেতা আবুল কালাম। পরে আবুল কালামকে আটক করে মুরাদনগর থানা পুলিশ। তাঁকে প্রধান আসামি করে চাঁদাবাজি ও মারধরের অভিযোগ এনে মামলা করেন। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা আবুল ফয়সাল। এদিকে শ্রমিক নেতা আবুল কালামকে ছাড়িয়ে নিতে সোমবার রাতেই মুরাদনগর থানার সামনে মিছিল করে বাস মালিক-শ্রমিকের লোকজন। পরে এ ঘটনায় থানায় হামলা চালিয়ে আসামি ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা, পুলিশের ওপর হামলাসহ কয়েকটি অভিযোগে মুরাদনগর থানার উপপরিদর্শক মো. আলী আক্কাস বাদী হয়ে আরো একটি মামলা করেন। এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে যুবদল নেতা মাসুদ রানাকে। ওই মামলায় সোমবার রাতে অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরদিন মঙ্গলবার সকালে শ্রমিক দল নেতা আবুল কালাম এবং থানায় হামলার মামলায় গ্রেপ্তার পাঁচজনসহ ছয়জনকে কুমিল্লার আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

আরও খবর

Sponsered content