নিজস্ব প্রতিবেদক: 25 April 2026 , 2:11:14 89 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
সারাদেশে বইছে তীব্র তাপপ্রবাহ। এর মাঝে সাধারণ মানুষের জন্য ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’ হয়ে দাঁড়িয়েছে ঘন ঘন লোডশেডিং। গত কয়েকদিন ধরে কুমিল্লাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বিদ্যুৎ বিভ্রাট চরমে পৌঁছেছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে।
শহর থেকে শুরু করে গ্রামাঞ্চল—সবখানেই বিদ্যুতের এই লুকোচুরি খেলা অব্যাহত রয়েছে। দিনে-রাতে মিলিয়ে এলাকাভেদে ৬ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।
প্রচণ্ড গরমে বিদ্যুৎ না থাকায় ঘরে টেকা দায় হয়ে পড়েছে। সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন শিশু ও বয়স্করা। অনেকেই হিট স্ট্রোক, ডায়রিয়া এবং জ্বর-সর্দিসহ বিভিন্ন পানিবাহিত ও গরমজনিত রোগে আক্রান্ত হচ্ছেন।
সামনে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা থাকলেও, সন্ধ্যার পর বিদ্যুৎ না থাকায় শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
লোডশেডিংয়ের কারণে চরম বিপাকে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী ও ফটোকপির দোকান, দর্জির দোকান, এবং রেস্তোরাঁগুলোর আয় উল্লেখযোগ্য হারে কমে গেছে।
শিল্পাঞ্চলগুলোতে কলকারখানার উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে। জেনারেটর বা আইপিএস চালিয়ে উৎপাদন সচল রাখতে গিয়ে মালিকদের বাড়তি খরচ গুনতে হচ্ছে, যা প্রভাব ফেলছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) এবং পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (আরইবি) স্থানীয় কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা জানান, তীব্র গরমের কারণে বিদ্যুতের চাহিদা হঠাৎ করে অনেক বেড়ে গেছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় বাধ্য হয়েই রেশনিং বা লোডশেডিং করতে হচ্ছে।












