নিজস্ব প্রতিবেদক : 27 March 2026 , 10:22:39 173 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ
কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার লালমাই পাহাড়ে গত বছরের ফেব্রুয়ারিতে ৯ বছরের এক শিশুকে গলা কেটে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্যকর মোড় নিয়েছে। গত বুধবার (২৬ মার্চ) সুয়াগাজী এলাকা থেকে স্থানীয় জনতা এই মামলার প্রধান এক আসামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আরও দুজনকে গ্রেফতার করা হলেও, গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় নিয়ে রহস্যজনক নীরবতা পালন করছে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ।
২০২৫ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি লালমাই পাহাড় এলাকা থেকে ৯ বছরের এক শিশুর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে সদর দক্ষিণ থানা পুলিশ। তৎকালীন সময়ে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা (আইও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন এসআই দিলীপ। দীর্ঘ সময় পর মামলার আসামীদের আটকের ঘটনায় এলাকায় স্বস্তি ফিরলেও পুলিশের অসহযোগিতায় নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।
গ্রেফতারকৃত তিন আসামীর নাম ও বিস্তারিত পরিচয় নিশ্চিত করতে একাধিক গণমাধ্যমকর্মী সদর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তফা’র সরকারি মোবাইল নম্বরে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তিনি ফোন রিসিভ করেননি। এমনকি বর্তমান তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জনি কান্তি দে-এর সাথেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনিও সাড়া দেননি।
জনসমক্ষে জনতা কর্তৃক আসামী আটক হওয়ার পরও পুলিশের এমন নীরবতাকে ‘তথ্য গোপন’ হিসেবে দেখছেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। তাদের প্রশ্ন— এটি কি নিতান্তই পেশাগত অবহেলা নাকি এর পেছনে অন্য কোনো উদ্দেশ্য রয়েছে?
পেশাগত দায়িত্ব পালনে পুলিশের এমন অসহযোগিতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাংবাদিকরা। স্পর্শকাতর এই মামলার আসামীদের পরিচয় গোপন রাখা এবং সাংবাদিকদের এড়িয়ে চলা প্রকারান্তরে অপরাধীদের আড়াল করার চেষ্টা কি না, তা খতিয়ে দেখতে জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মহোদয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।
সুষ্ঠু তদন্ত এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে গ্রেফতারকৃতদের পরিচয় দ্রুত জনসমক্ষে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন গণমাধ্যম কর্মীরা।













