সর্বশেষ

জ্বালানি সংকট ও নিরাপত্তাহীনতা যেকোনো সময় বন্ধ হতে পারে দেশের সব পেট্রল পাম্প

  অনলাইন ডেস্ক: 23 March 2026 , 3:34:50 266 বার পঠিতপ্রিন্ট সংস্করণ

​দেশে তীব্র জ্বালানি ঘাটতি এবং পাম্পগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত না হওয়ায় যেকোনো সময় সারা দেশের পেট্রল পাম্পগুলো বন্ধ হয়ে যাওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

রবিবার (২২ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, বর্তমানে বিপণন কোম্পানিগুলো থেকে যে পরিমাণ তেল সরবরাহ করা হচ্ছে, তা চাহিদার তুলনায় অত্যন্ত সামান্য। ফলে পাম্পগুলোতে তেল নিতে আসা গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন তৈরি হচ্ছে, যা সামাল দিতে গিয়ে পাম্প কর্মীরা শারীরিক ও মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছেন।
সংকটের মূলে অসাধু চক্র ও বিশৃঙ্খলা অ্যাসোসিয়েশনের দাবি অনুযায়ী, সংকটের অন্যতম কারণ তেলের অপব্যবহার। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়: অনেকে দিনে ১০ বারের বেশি তেল নিয়ে বাইরে চড়া দামে বিক্রি করছেন। অনেকেই ট্যাংক আংশিক পূর্ণ থাকা সত্ত্বেও বারবার লাইনে দাঁড়িয়ে প্রকৃত গ্রাহকদের বঞ্চিত করছেন। ঈদের আগে পর্যাপ্ত মজুত থাকলেও অস্বাভাবিক চাপের কারণে তা দ্রুত শেষ হয়ে যাচ্ছে, যাকে ‘লুটতরাজ’ হিসেবে বর্ণনা করেছে সংগঠনটি।
নিরাপত্তাহীনতায় পাম্প মালিকরা
জ্বালানি সংকটের পাশাপাশি পাম্পগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা এখন চরম ঝুঁকির মুখে। বিজ্ঞপ্তিতে ঠাকুরগাঁওয়ের একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে বলা হয়, গভীর রাতে সংঘবদ্ধ চক্র লাঠিসোঁটা নিয়ে পাম্পে হামলা চালিয়ে জোরপূর্বক তেল নিয়ে গেছে। এমনকি অ্যাম্বুলেন্সের জন্য সংরক্ষিত জরুরি তেলটুকুও রাখা সম্ভব হচ্ছে না।
সংগঠনটি অভিযোগ করেছে যে, সরকার ও জেলা প্রশাসন বারবার জানানোর পরেও পাম্পের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কার্যকর কোনো ভূমিকা নিচ্ছে না। শুধু পাম্প নয়, ডিপো থেকে তেল পরিবহনের সময় ট্যাংকারগুলোও পথে লুট হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে মালিকপক্ষ।
“পাম্পগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শক্তিশালী উপস্থিতি নিশ্চিত করা না হলে ডিপো থেকে তেল সংগ্রহ (লিফটিং) বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোনো পথ খোলা থাকবে না।”
বাংলাদেশ পেট্রল পাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন
ভোক্তা পর্যায়ে দুর্ভোগে বর্তমানে তেলের জন্য মোটরসাইকেল চালকসহ অন্যান্য যানবাহন ব্যবহারকারীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হচ্ছে। পরিস্থিতির দ্রুত উন্নতি না হলে পরিবহন ব্যবস্থা স্থবির হয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

আরও খবর

Sponsered content